হিসাব সমীকরণ কি

 

হিসাব সমীকরণ কি

হিসাব সমীকরণ কি

প্রতি লেনদেনের দুটি পক্ষ থাকে একটি দাতা বা ডেবিট অন্যটি গ্রহীতা বা ক্রেডিট। হিসাবশাস্ত্রবিদগণ হিসাববিজ্ঞানের গাণিতিক শুদ্ধতা প্রমাণের জন্য যে সূত্র প্রকাশ করেন তা হিসাব সমীকরণ বা মৌলিক হিসাব সমীকরণ নামে পরিচিত।

A = L + P 

A = L + O.E

এখানে
    A = Assets সমাপ্তি
    L = Outside Liabilities বহির্দায়
    P = Proprietorship মালিকানাস্বত্ত্ব
    O.E = Owners equity মালিকানাস্বত্ত্ব

উপরিউক্ত হিসাব সমীক্যপটি সর্বজন কর্তৃক স্বীকৃত ও গ্রহণযোগ্য। দুতরফা দাখিল মোতাবেক প্রতিটি ডেবিট পক্ষ ক্রেডিট পক্ষের সমপরিমাণ হবে। কারণ কোনো সম্পত্তি বৃদ্ধি সাথে সাথে অন্য কোনো সমপরিমাণ সম্পত্তি হ্রাস পাবে অথবা সমপরিমাণ দায় বৃদ্ধি পাবে। সম্পত্তি ও দায়ের উপর লেনদেনের ফলাফলই হচ্ছে হিসাব সমীকরণের ফলাফল।

তাই বলা যায়, আধুনিক কারবারি জগতে হিসাববিজ্ঞানের গাণিতিক শুদ্ধতার জন্য হিসাববিদগণ যে বিশেষ সূত্র ব্যবহার করে তাকে হিসাব সমীকরণ বা মৌলিক হিসাব সমীকরণ বলে।

হিসাব সমীকরণের উপাদানগুলো কিভাবে মালিকানাস্বত্বকে প্রভাবিত করে আলোচনা কর

মলিকানাস্বত্ব বলতে মালিকের মূলধন, সঞ্চিতি, লাভ লোকসানের উদ্বৃত্ত, অবন্টিত মুনাফা, অন্যান্য তহবিল অন্তর্ভুক্ত থাকে মালিকানা স্বত্ত্ব বলতে প্রতিষ্ঠান বা কারবারের নিকট মালিকের পাওনার সমষ্টিকে বুঝায়। হিসাব সমীকরণ মালিকানা স্বত্ত্বের উপর যেসব প্রভাব বিস্তার করে তা নিয়ে আলোচনা করা হলো।

১. খরচসমূহ : কারবার প্রতিষ্ঠানের মুনাফা জাতীয় খরচের ফলে মালিকানা স্বত্ত্বের হ্রাস ঘটে।

২. মূলধন : প্রতিষ্ঠানে নগদ অর্থ প্রদান করলে মালিকানাস্বত্ব বৃদ্ধি পায়।

৩. আয়/ উপার্জন : প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন লেনদেনের ফলে আয় বাড়লে মালিকানা স্বত্তের সাথে তা যোগ হয়ে মালিকানাস্বত্বের বৃদ্ধি ঘটায়।

৪. উত্তোলন : উত্তোলন নগদে, চেকে, পণ্যের মাধ্যমে হতে পারে। যেভাবেই উত্তোলন হোক তা মালিকানা স্বত্ত্বের হ্রাস ঘটায়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ